• আক্রান্ত

    ৭৭০,৮৪২

    সুস্থ

    ৭০৪,৩৪১

    মৃত্যু

    ১১,৮৩৩

    ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর | স্পন্সর - একতা হোস্ট
  • মাত্র পাওয়া

    শীতে সোনামুনিকে উষ্ণ রাখতে করণীয়

    | ০২ ডিসেম্বর ২০২০ | ১১:৩৭ অপরাহ্ণ

    শীতে সোনামুনিকে উষ্ণ রাখতে করণীয়

    শীতে শিশুর জন্য চাই বাড়তি যত্ন। এ সময় তাপমাত্রা কমে যাওয়ার কারণে ঠাণ্ডা, জ্বর ও সর্দি-কাশি লেগেই থাকে সোনামুনিদের।

    শিশুদের শরীর গরম রাখা, ঠাণ্ডা আবহাওয়া এবং শীতের বাতাস থেকে রক্ষা করার জন্য তাদের শীতের পোশাক পরাতে হবে।

    আসুন জেনে নিই শীতে শিশুর শরীর গরম রাখতে কী করবেন-

    মাথা ঢেকে রাখা জরুরি

    শীতের সময়ে শিশুর মাথা ঢেকে রাখা উচিত। যদি মাথার তাপমাত্রা কম থাকে তা হলে এর প্রভাব পুরো শরীরে পড়ে। তাই শিশুকে ঠাণ্ডা থেকে রক্ষা করতে টুপি পরান বা কাপড় দিয়ে মাথা ঢেকে রাখুন। এ ছাড়া খেয়াল রাখবেন যে, শিশুর টুপিটি যাতে খুব আঁটসাঁট না হয় এবং নরম কাপড়ের হয়।

    নাক উষ্ণ রাখুন জীবাণু, ব্যাকটেরিয়া ও ক্ষতিকারক ধোঁয়া নাক দিয়েই শরীরে প্রবেশ করে। তাই শিশুর নাক সুরক্ষিত রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। হালকা গরম তেল দিয়ে শিশুর নাক মালিশ করতে পারেন। ঘরের তাপমাত্রা যাতে খুব কম না থাকে সেদিকেও নজর দিতে পারেন।

    পা ঢেকে রাখুন 

    শিশুর শরীরের নিচের দিকেও ঠাণ্ডা লাগতে পারে। তাপমাত্রা তার পায়ের দিকটিও খুব গুরুত্বপূর্ণ। যদিও শিশুরা বেশিরভাগ সময় বিছানায় শুয়ে থাকে, মাটিতে পা রাখে না, তা হলেও তাদের দেহের নিচের দিকে ঠাণ্ডা লাগতে পারে। তাই শিশুকে মোজা পরানো বা পায়ের দিকে কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখা প্রয়োজন।

    ম্যাসাজ করুন
    শিশুর শরীর উষ্ণ রাখতে ম্যাসাজ করতে পারেন। শরীর উষ্ণ রাখার জন্য সরিষার তেল দিয়ে ম্যাসাজ করুন।

    হাত ঠাণ্ডা 

    শিশুর হাত ঠাণ্ডা হয়ে গেলে নরম গ্লাভস পরান এবং ফুল হাতা পোশাক পরান। তবে রাতে ঘুমানোর সময় শিশুর মুখ কম্বল দিয়ে ঢেকে রাখবেন না এবং গ্লাভস পরাবেন না।

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০

    Calendar

    সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫১৬
    ১৭১৮১৯২০২১২২২৩
    ২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
    ৩১  

    এক ক্লিকে বিভাগের খবর

    div1 div2 div3 div4 div5 div6 div7 div8
  • বাংলাদেশে

    আক্রান্ত
    ৭৭০,৮৪২
    সুস্থ
    ৭০৪,৩৪১
    মৃত্যু
    ১১,৮৩৩
    সূত্র: আইইডিসিআর

    বিশ্বে

    আক্রান্ত
    ১৫৬,০০৩,১৬০
    সুস্থ
    ৯২,৪৪৫,৯০৭
    মৃত্যু
    ৩,২৫৭,২০১