মাত্র পাওয়া

বিড়ি-সিগারেট বন্ধ হচ্ছে শুনেই দাম বাড়লো

| ২০ মে ২০২০ | ১০:৪২ অপরাহ্ণ

বিড়ি-সিগারেট বন্ধ হচ্ছে শুনেই দাম বাড়লো

সিগারেটসহ তামাকজাত পণ্যের দাম বাড়ে মূলত গতকাল মঙ্গলবার রাত থেকেই। করোনাভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবিলায় সব ধরনের তামাকজাত পণ্য উৎপাদন, সরবরাহ, বিপনণ এবং তামাকপাতা ক্রয়-বিক্রয় কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ চেয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ শিল্প মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিলে খবর ছড়ায়, তামাকজাত পণ্য উৎপাদন ও বিক্রি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। তারপর ধূমপায়ীদের মধ্যে সিগারেট মজুদের হিড়িক লেগে যায়। এরই সুযোগ নিতে থাকেন বিক্রেতারা।

যদিও মঙ্গলবার রাতের সে খবর এরই মধ্যে বদলে গেছে। কারণ বুধবার (২০ মে) শিল্প মন্ত্রণালয় থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সামগ্রিক বিবেচনায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে তামাকশিল্প চালু রাখা যুক্তিসঙ্গত হবে বলে শিল্প মন্ত্রণালয় মনে করে। এর মাধ্যমে কার্যত সিগারেটসহ তামাক পণ্য উৎপাদন ও বিক্রি বন্ধ হচ্ছে না বলেই জানানো হয়।

তার আগে অবশ্য দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষা মন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে সিগারেটসহ সব ধরণের তামাকজাত পণ্যের উৎপাদন, সরবরাহ, বিপণন ও বিতরণ সাময়িকভাবে বন্ধের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

মন্ত্রীর এমন বক্তব্যের কিছুক্ষণ পর শিল্প মন্ত্রণালয়ের ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তামাক উৎপাদন এবং তামাকজাতীয় পণ্য সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ মর্মে শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূনকে উদ্ধৃত করে বিভিন্ন গণমাধ্যমে পরিবেশিত সংবাদের প্রতি শিল্প মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়েছে।

“করোনা পরিস্থিতিতে এমনিতেই বৈশ্বিক অর্থনীতির মতো বাংলাদেশের জাতীয় অর্থনীতিতে যথেষ্ট চাপ তৈরি হয়েছে এবং আগামী দিনে অনিবার্যভাবে এই চাপ বাড়বে। করোনা প্রাদুর্ভাবের ফলে দেশের বিভিন্ন এলাকায় শিল্প-কারখানা ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড অনেকটা স্থবির হয়ে রয়েছে। এতে প্রান্তিক পর্যায়ে অনেক লোকজন বেকার হয়ে গেছেন। প্রধানমন্ত্রী সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে নগদ অর্থ ও ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচি গ্রহণ করলেও উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে সরকারের জন্য দীর্ঘদিন এটি চালিয়ে নেয়া কষ্টকর হবে। এই অবস্থায় বিদ্যমান কর্মসংস্থানের সুযোগ এবং শিল্প উৎপাদন বন্ধ করলে, তা হবে জাতীয় মারাত্মক ক্ষতি।”

শিল্প মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়, সামগ্রিক বিবেচনায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে এ শিল্প চালু রাখা যুক্তিসঙ্গত হবে বলে শিল্প মন্ত্রণালয় মনে করে। পাশাপাশি ধূমপান ও তামাকজাতীয় পণ্য সেবনের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে। এক্ষেত্রে জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেল সময়ের চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় মোটিভেশনাল কার্যক্রম গ্রহণ করবে বলে শিল্প মন্ত্রণালয় আশা প্রকাশ করছে।

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Calendar

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  

এক ক্লিকে বিভাগের খবর

div1 div2 div3 div4 div5 div6 div7 div8