মাত্র পাওয়া

দেশে করোনায় একদিনে নতুন শনাক্ত ২৬৬ , সর্বোচ্চ ১৫ মৃত্যু,

| ১৭ এপ্রিল ২০২০ | ২:৫৩ অপরাহ্ণ

দেশে করোনায় একদিনে নতুন শনাক্ত ২৬৬ , সর্বোচ্চ ১৫ মৃত্যু,

দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ১৫ জন মৃত্যুবরণ করেছেন। এ নিয়ে দেশে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ৭৫ জনে। শুক্রবার দুপুরে দেশে করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ে নিয়মিত অনলাইন ব্রিফিংয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে সর্বমোট ২ হাজার ১৯০ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। তাদের মধ্যে নতুন করে ২৬৬ জনের শরীরে করোনার উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়েছে। এ নিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৮৩৮ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ২,১৯০ জনের।

২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৯ জন। এ নিয়ে সুস্থ্য হয়ে ফিরে গেছেন মোট ৫৮ জন।এ পর্যন্ত ২৭ জন রোগীকে আইসিইউ সেবা দেয়া হয়েছে। যা মোট আক্রান্তের ১.৮ শতাংশ।

বাংলাদেশে প্রথম ৮ই মার্চ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হন। সেই থেকে এ পর্যন্ত হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে প্রায় ৫০০ রোগীকে।

করোনাভাইরাসের টেস্টিং বাড়ানো প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তবে তিনি জানিয়েছেন যে রোগীরা টেস্ট করতে আগ্রহ প্রকাশ করেন না। অনেকে আক্রান্ত হয়েছেন জেনেও সেই তথ্য গোপন করেন। এভাবে অনেক চিকিৎসক আক্রান্ত হওয়ায় আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। এমন অবস্থায় ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় লকডাউন কার্যকরের ওপর জোর দিয়েছেন মন্ত্রী।

বহুতল ভবনে যারা থাকেন তাদেরকে নিয়মিত আঙিনা পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি লিফটের বাটন, সিড়ির হাতল, দরজার হাতল জীবাণুমুক্ত করার পরামর্শ দিয়েছেন।

এদিকে আইইডিসিআর-এর পরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা জানিয়েছেন, আক্রান্তদের মধ্যে ৬৮ শতাংশ পুরুষ এবং ৩২ শতাংশ নারী।

বাংলাদেশের প্রায় ৪০টিরও বেশি জেলায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন।

এরমধ্যে ৪৬ শতাংশই ঢাকার বাসিন্দা। এছাড়া ২০ শতাংশ নারায়নগঞ্জের বাসিন্দা।ঢাকার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ মিরপুর এলাকা, প্রায় ১১ শতাংশ।

ঢাকা মহানগরীর মধ্যে মোহাম্মদপুর, ওয়ারি এবং যাত্রাবাড়িতে রোগী শনাক্ত হয়েছে ৪ শতাংশ করে। উত্তরা এবং ধানমন্ডিতে ৩ শতাংশ করে।

এছাড়া গাজীপুর, চট্টগ্রাম, এবং মুন্সিগঞ্জে আক্রান্তের সংখ্যাও আগের চাইতে বেড়েছে।

এ পর্যন্ত যারা আক্রান্ত হয়েছেন তাদের মধ্যে ২১ শতাংশের বয়স ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে। ১৯ শতাংশের বয়স ৩১-৪০ বছরের মধ্যে এবং ১৫ শতাংশের বয়স ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে।

মিসেস ফ্লোরা বলেছেন যে, যারা আক্রান্ত হয়েছেন তাদের মধ্যে ৬৮% বাড়িতে বসে চিকিৎসা নিয়েছেন। ৩২% চিকিৎসা নিয়েছেন হাসপাতালে।

তবে তাদের সবার হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়ার প্রয়োজন ছিল না বলে তিনি উল্লেখ করেন।

যারা বাড়িতেই চিকিৎসা নিতে পারতেন তারা নানা ধরণের সামাজিক চাপে পড়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বলে তিনি জানান।

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Calendar

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  

এক ক্লিকে বিভাগের খবর

div1 div2 div3 div4 div5 div6 div7 div8