মাত্র পাওয়া

গাজীপুরে কাঁঠালের বাম্পার ফলন, করোনায় দাম নিয়ে হতাশা

| ১৩ জুন ২০২১ | ১২:২৭ অপরাহ্ণ

গাজীপুরে কাঁঠালের বাম্পার ফলন, করোনায় দাম নিয়ে হতাশা

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ জাতীয় ফল কাঁঠাল উৎপাদনে গাজীপুরের অবস্থান প্রথম সারিতে। শ্রীপুর উপজেলা এর জন্য বিখ্যাত। স্থানীয় কৃষি অফিসের তথ্যমতে, কাঁঠাল চাষের জন্য লাল মাটি সমৃদ্ধ উঁচু চালা জমি হচ্ছে আদর্শ স্থান। শ্রীপুরের মাটি উপযুক্ত হওয়ায় এখানে কাঁঠাল চাষের প্রসার হয়েছে ব্যাপকভাবে। অন্যান্য বছরের চেয়ে এবছর কাঁঠালের বাম্পার ফলন হয়েছে। উপজেলার প্রতিটি কাঁঠাল বাগানে গাছের গোড়া থেকে ডালপালা কাঁঠালে ভরে গেছে। উপজেলার মাওনা ইউনিয়নের বারতোপা গ্রামে অসংখ্য কাঁঠালের বাগান। দু’চোখ যেদিকে যায় চোখে পড়ে শুধু কাঁঠাল বাগান। সর্বত্রই গাছে গাছে শোভা পাচ্ছে হাজার হাজার কাঁঠাল। রাস্তার দু’পাশে সারি সারি কাঁঠাল গাছ। গাছে গাছে ঝুলছে কাঁঠাল। এমন দৃশ্য চোখে পড়ে কৃষকের বাড়ির আঙ্গিনাসহ মাঠ ও পথ প্রান্তরে। তবে কাঁঠাল বাগান মালিকদের মনে ব্যাপক হতাশা বিরাজ করছে। করোনা মহামারীর মধ্যে কাঁঠালের উপযুক্ত দাম পাবে কিনা, এমনটা ভেবে !

উপজেলার মাওনা উত্তরপাড়া এলাকার বাগান মালিক সামসুদ্দিন জানান, তার একটি বাগানে ৯০ টি কাঁঠাল গাছ রয়েছে। প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও প্রতিটি গাছে প্রচুর কাঁঠাল ধরেছে। বর্তমানে বাগানের দাম হচ্ছে ১ থেকে দেড় লাখ টাকা। একই গ্রামের কাঁঠাল বাগান মালিক রেজাউল বলেন, তার কাঁঠালের দুটি বাগান রয়েছে। প্রতি বছর তিনি প্রায় ৩ লাখ টাকার কাঁঠাল বাগান বিক্রি করেন। ফলন ভালো হওয়ায় এবার গত বছরের চেয়ে বেশি দাম পাওয়ার আশা করছেন তিনি।

উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের আরেক বাগান মালিক সিদ্দিক জানান, গত বছরের তুলনায় এ বছর বাগানে অনেক বেশি কাঁঠাল ধরেছে। তিনি প্রতি বছর প্রায় ২ লাখ টাকার কাঁঠাল বাগান বিক্রি করেন। আনসার টেপিরবাড়ী এলাকার কাঁঠাল বাগান মালিক অ্যাডভোকেট আবুল কাসেম আজাদ জানান, তার বাগানে ১৫০টি কাঁঠাল গাছ রয়েছে। প্রতি বছরই তিনি প্রায় এক থেকে দেড় লক্ষাধিক টাকার কাঁঠাল বিক্রি করেন। এ বছরও ফলন বেশ ভালো হয়েছে। কিন্তু করোনাকালে কাঁঠাল নিয়ে বিপাকে তিঁনি। এদিকে কাঁঠাল বাগান কিনতে বেপারিদের দৌঁড়ঝাপ শুরু হয়েছে। কৃষক ও স্বল্প পুঁজির মৌসুমী ফল ব্যবসায়ীরা কাঁঠাল বাজারে উঠানো শুরু করেছে। ব্যবসায়ীরা করোনার কথা মাথায় রেখেই দামের ব্যপারে হাঁত টেনে বসার চেষ্টা করছেন।

অন্যদিকে বাজারে উঠানোর পরে অধিক হারে খাজনার কথা জানান উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের তালতলি গ্রামের কাঁঠাল ব্যবসায়ী হাবীবুর রহমান। তিনি আরো জানান, উপজেলার সব থেকে বড় কাঁঠালের হাঁট বসে জৈনা বাজার। এখানে প্রতি পিস কাঁঠালে ৩ টাকা করে খাজনা দিতে হয়।

শ্রীপুর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের কৃষি কর্মকর্তা এএসএম মূয়ীদুল হাসান বলেন, শ্রীপুরে ২ হাজার ৫ শ হেক্টর জমিতে কাঁঠাল আবাদ করা হয়েছে। গত বছরের তুলনায় এ বছর কাঁঠালের ফলন বেশ ভালো হয়েছে। করোনায় দামের বিষয়টিতে প্রভাব পড়তে পারে।

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Calendar

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  

এক ক্লিকে বিভাগের খবর

div1 div2 div3 div4 div5 div6 div7 div8
  • Our Visitor

    0 0 2 2 1 0
    Users Today : 25
    Users Yesterday : 47
    Users Last 7 days : 124
    Users Last 30 days : 565
    Users This Month : 103
    Users This Year : 2209
    Total Users : 2210
    Views Today : 28
    Views Yesterday : 99
    Views Last 7 days : 270
    Views Last 30 days : 1097
    Views This Month : 199
    Views This Year : 3280
    Total views : 3281
    Who's Online : 1
    Your IP Address : 54.144.55.253
    Server Time : 2021-12-05