মাত্র পাওয়া

ইউরোপ থেকে ফিরলেই কোয়ারেন্টাইন, কার্যকর মধ্যরাত থেকে

| ৩০ মার্চ ২০২১ | ১১:৩৩ পূর্বাহ্ণ

ইউরোপ থেকে ফিরলেই কোয়ারেন্টাইন, কার্যকর মধ্যরাত থেকে

দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে ইতোমধ্যে ১৮ দফা নির্দেশনা নিয়েছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে দেশের বিমানবন্দর ও এয়ারলাইন্সসহ সংশ্লিষ্টদের জন্য নতুন নির্দেশনা দিয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)।

মঙ্গলবার (৩০ মার্চ) ভোরে এ বিষয়ে একটি নির্দেশনা জারি করা হয়। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিট (৩১ মার্চ, বুধবার) থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নির্দেশনাটি কার্যকর হবে।

বেবিচকের ফ্লাইট স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড রেগুলেশনস বিভাগের সদস্য চৌধুরী এম জিয়াউল কবির সাক্ষরিত নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশে আগত ও বাংলাদেশ ত্যাগ করা প্রত্যেক যাত্রীকে বাধ্যতামূলকভাবে করোনার নেগেটিভ সার্টিফিকেট সঙ্গে রাখতে হবে (যাত্রার ৭২ ঘণ্টা আগে নমুনা দিতে হবে)। এছাড়া যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপের দেশগুলো থেকে যারা আসবে তাদের জন্য ১৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তারা বেবিচক নির্ধারিত প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন সেন্টার অথবা নির্ধারিত হোটেলে থাকবেন। অন্যান্য দেশ থেকে আসা যাত্রীদেরও ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টাইনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বিমানবন্দর ও ফ্লাইটে সব যাত্রীকে মাস্ক পরতে হবে। এছাড়া যেসব বিমানের প্রতি সারিতে সিট তিনটি করে, সেই ফ্লাইটের মাঝের সিটের যাত্রীকে মাস্কের পাশাপাশি বাধ্যতামূলক ফেসশিল্ড পরতে হবে।

আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনার ক্ষেত্রে ওয়াইড বডি বা বড় সাইজের এয়ারক্রাফটকে আগে সর্বোচ্চ ৩০০ জন যাত্রী নিয়ে ফ্লাইট পরিচালনার করার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। তবে করোনার প্রাদুর্ভাবের কারণে এই সংখ্যা কমিয়ে ২৬০ করা হয়েছে। এছাড়া যেকোনো ফ্লাইটের ইকোনমি ক্লাসের শেষ সারি ও বিজনেস ক্লাসের একটি সিট খালি রেখে ফ্লাইট পরিচালনা করতে হবে।

গত দুই সপ্তাহ ধরে দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী। অনেকেই মনে করছেন, এবারের সংক্রমণের সঙ্গে করোনার নতুন ধরনের যোগসূত্র রয়েছে। যার কারণে শনাক্তের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে।

এ অবস্থায় কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি না মানলে সামনে বড় বিপদের আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। গেল জানুয়ারিতেই দেশে সংক্রমণের হার ৩ শতাংশের নিচে নেমেছিল। কিন্তু গত কয়েকদিনের ব্যবধানে তা আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে গেছে। আগে যাদের মৃত্যু হতো তাদের বেশিরভাগই ছিল বয়োবৃদ্ধ এবং নানা রোগে আক্রান্ত। কিন্তু এখন সংক্রমণের ক্ষেত্রে উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে। বর্তমানে আক্রান্ত ও মৃতদের বেশিরভাগই যুবক।

স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে সোমবার (২৯ মার্চ) পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে নতুন করে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন পাঁচ হাজার ১৮১ জন। এটিই দেশে করোনায় একদিনে সর্বোচ্চ শনাক্তের রেকর্ড। এর আগে গত বছরের ২ জুলাই দেশে করোনায় চার হাজার ১৯ জন আক্রান্ত হয়েছিলেন। এতদিন সেটিই ছিল একদিনে সর্বোচ্চ আক্রান্তের সংখ্যা।

এদিকে ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন আরও ৪৫ জন। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল আট হাজার ৯৪৯ জনে। গত বছরের ২৮ আগস্টের পর এটিই দেশে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর ঘটনা।

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Calendar

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  

এক ক্লিকে বিভাগের খবর

div1 div2 div3 div4 div5 div6 div7 div8