মাত্র পাওয়া

কোভ্যাক্সের টিকা আসছে না এপ্রিলেও

| ২৯ মার্চ ২০২১ | ৬:০৭ অপরাহ্ণ

কোভ্যাক্সের টিকা আসছে না এপ্রিলেও

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস প্রতিরোধে গত ফেব্রুয়ারি মাসেই কোভ্যাক্সের টিকা আসার কথা জানিয়েছিলেন স্বাস্থ্য সচিব মো. আব্দুল মান্নান। ফেব্রুয়ারি পেরিয়ে মার্চ বিদায়লগ্নে। আগামী এপ্রিল মাসেও সে টিকা আসছে না। এ অবস্থায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানিয়েছেন, মে-জুনের আগে কোভ্যাক্স টিকা দিতে পারছে না।

সোমবার (২৯ মার্চ) জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সম্প্রসারিত ভবন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়াল মাধ্যমে অংশ নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘টিকার জন্য এরইমধ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। তবে সেখান থেকে খুব শিগগিরই টিকা পাওয়া যাচ্ছে না। ওনারা বলেছেন মে-জুনের আগে কোভ্যাক্সের টিকাও দিতে পারছে না।’

এর আগে স্বাস্থ্য সচিব বলেছিলেন, ‘ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকে দেশে কোভ্যাক্সের এক লাখ ৩১ হাজার ডোজ টিকা আসবে, যা বিনামূল্যে মিলছে।’

কোভ্যাক্স হলো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিনস অ্যান্ড ইমিউনাইজেশনস বা গ্যাভি এবং কোয়ালিশন ফর এপিডেমিক প্রিপেয়ার্ডনেস ইনোভেশনসের গড়া প্ল্যাটফর্ম। বিশ্বের সব মানুষের সংক্রামক রোগের প্রতিষেধক পাওয়া নিশ্চিত করতে এ জোট গঠিত হয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘টিকা কর্মসূচি আমরা এখনও চালিয়ে যাচ্ছি। এই মাসে টিকার যে চালান আসার কথা ছিল সেই টিকা আমরা পাইনি। সেটা যথাযথ পাওয়ার জন্য আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আমাদের প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি জানিয়েছেন।’

তিনি বলেন, ‘যে সংখ্যায় টিকা পাওয়ার কথা তা যদি আমরা পেয়ে যাই তাহলে আমাদের যে কার্যক্রম চলছে তা ব্যাহত হবে না। আর যদি টিকা না পাই তাহলে স্বাভাবিকভাবেই নতুন করে চিন্তা করতে হবে।’

জাহিদ মালেক বলেন, ‘সরকার অন্যান্য উৎস থেকেও টিকা সংগ্রহের চেষ্টা করে যাচ্ছে। সেখান থেকে আশ্বাস পেলে সরকার ইতিবাচকভাবে তা গ্রহণ করবে। আমরা আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। সেখান থেকে যদি কোনো আশ্বাস পাই তাহলেও আমরা পজিটিভলি এগিয়ে যাব। প্রধানমন্ত্রী নিজেও চেষ্টা করছেন যাতে আমরা টিকা পাই এবং টিকা কার্যক্রম যেন ব্যাহত না হয়।’

ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের কাছ থেকে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার তিন কোটি ডোজ করোনাভাইরাসের টিকা কিনতে গত নভেম্বরের চুক্তি করে বাংলাদেশ। চুক্তি অনুযায়ী ভারত থেকে ওই টিকা সরবরাহের দায়িত্বে আছে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস। চুক্তি অনুযায়ী প্রতি মাসে ৫০ লাখ ডোজ করে ছয় মাসে তিন কোটি ডোজ টিকা পাওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশের। সে অনুযায়ী জানুয়ারিতে ৫০ লাখ ডোজ দেশে এলেও বিপুল চাহিদা আর বিশ্বজুড়ে টিকার সরবরাহ সংকটের মধ্যে ফেব্রুয়ারির চালানে বাংলাদেশ ২০ লাখ ডোজ হাতে পায়।

এর বাইরে ভারত সরকার দুই দফায় উপহার হিসেবে দিয়েছে মোট ৩২ লাখ ডোজ, সেগুলোও সেরাম ইনস্টিটিউটে উৎপাদিত অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা।

সম্প্রতি করোনাভাইরাসের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় নিজস্ব চাহিদার কথা বিবেচনা করে ভারত অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার রপ্তানি সাময়িকভাবে স্থগিত করায় চুক্তির টিকা পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Calendar

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  

এক ক্লিকে বিভাগের খবর

div1 div2 div3 div4 div5 div6 div7 div8
  • Our Visitor

    0 0 2 1 2 0
    Users Today : 6
    Users Yesterday : 7
    Users Last 7 days : 56
    Users Last 30 days : 475
    Users This Month : 13
    Users This Year : 2119
    Total Users : 2120
    Views Today : 7
    Views Yesterday : 44
    Views Last 7 days : 189
    Views Last 30 days : 949
    Views This Month : 51
    Views This Year : 3132
    Total views : 3133
    Who's Online : 0
    Your IP Address : 52.23.219.12
    Server Time : 2021-12-02